আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাদশাহ খালিদ বিমানবন্দরে গতকাল ভয়াবহ মিসাইল হামলা চালায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তারা সরাসরি এ হামলা নিয়ে এখনো কোনো বিবৃতি দেয়নি।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা আজ রোববার (১১ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হুথিরা আগেই জানিয়েছিল, সৌদির বিমানবন্দরগুলো তাদের হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু থাকবে। এখন তা-ই দেখা যাচ্ছে। আর এক্ষেত্রে তারা অনুসরণ করছে ‘বিমানবন্দরের বদলে বিমানবন্দর’ এবং ‘অবরোধের বদলে অবরোধ’ নীতি।
যেহেতু সৌদি আরব হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রধান বিমানবন্দর সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে এবং ইয়েমেনের বিভিন্ন জায়গায় বিমান হামলা চালিয়েছে, তাই তারাও পাল্টা হামলা হিসেবে সৌদির বিমানবন্দরকে টার্গেট করছে।
হুথিদের তথ্য অনুযায়ী তারা সৌদির হামলার প্রতিশোধ নেবে আরামকোর তেল অবকাঠামো এবং রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা করে। যেটিকে সৌদির সবচেয়ে বড় অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ভয়াবহ এ হামলার পর সৌদি আরব জানিয়েছে তারা কঠোর জবাব দেবে। তবে আলজাজিরা জানিয়েছে, সৌদি গত কয়েকদিন ধরেই হুথিদের অবকাঠামোতে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও হুথিরা এখনো রিয়াদে ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ড্রোন ছুড়ছে। যেগুলো সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠেকাতে পারছে না।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদির বিমানবাহিনী সবচেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু তবুও হুথিদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।
এরমধ্যে আজ হুথিরা সতর্কতা দিয়েছে মক্কা ও মদিনার আকাশসীমা বাদে সৌদি আরবের কোথাও প্লেন চলতে দেওয়া হবে না। এ দুটি অঞ্চল বাদে অন্য জায়গা দিয়ে প্লেন গেলে সেগুলোতে হামলা হলে সৌদিকে দায় নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইয়েমেনি গোষ্ঠী।
সূত্র: আলজাজিরা